আবার কেন

বই পড়ে তবু কেন পাশে থাকে আয়না?প্রাইভেটে পড়া হয় স্কুলে কেন হয় না? আধুনি মেয়ারা তিন বার খায়না? ফার্স্টফুডে পেট ভরে ভাত খেতে চায়না? আর ভালো মানুষ ইলেকশনে ভোট কেন পায়না?

নিমন্ত্রণ

ওই যে ছোট্ট নদী সময় থাকে যদি (তুমি) যেও তাহার ঘাটে সূর্য যেথায় পাটে যায় সে সাঁঝের কালে ওই নদীরই জলে যেন সোনার থালা কি জানি কোন বালা ধুইতে এসে জলে ডুবিয়ে দিল ভূলে ভেবনা ভাই মিছে স্বর্গ সেথায় আছে। তাকিয়ে দেখ জলে মাছেরা যায় চলে অজানা কোন দেশে স্রোতের …

আজগুবি নাম

শোনেন শোনেন ঘটনা এক কার যে এমন কাম, একটুও রস দেয়না ফ্রীতে ‘রস খাওয়া’ দেয় নাম। ভেবেছিলাম ‘রামপুরে’তে রামের দেখা পাব, রামও নেই, লংকাও নেই দুঃখ কারে কব। আবার ভাবি ‘দাড়িভিটে’র সবাই দাড়িওয়ালা, গিয়ে দেখি ভূল ধারনা বোঝো এবার ঠ্যালা। গোপন আরেক ঘটনা ভাই বলছি অবশেষে, সোল মাছের লোভে গেলাম …

ভালোবাসি বাংলা

ভালোবাসি বাংলা ভালোবাসি বাঙালি বাংলার ফল-ফুল পাখিদের কাকলী। ভালোবাসি বাংলার নদী-নালা মাঠ-ঘাট এঁকে বেঁকে চলা পথ ধূলো মাখা হাট। ভালোবাসি বাংলার মাটি ভেজা গন্ধ বাংলার সুর-তাল যাদু ভরা ছন্দ। প্রাণ ভরে দেখি আমি বাংলার অপরূপ বাংলায় খুঁজে পাই পৃথিবীর সব সুখ। মনে-প্রাণে ভালোবাসি বাংলার শ্যামলী ভালোবাসি বাংলাকে আমি এক বাঙালি। …

ভেতর-বাহির

বাহিরে মোর আলোর জোয়ার আঁধার ভরা হৃদয় মাঝে, হরেক রকম দুঃখ সেথা খেলছে খেলা নতুন সাজে। বাহিরে মোর দখিন হাওয়া হৃদয় মাঝে ঝোড়ো বাতাস, যায়না দেখা ধ্রূবতারা কালো মেঘে ঢাকা আকাশ। শান্ত আমার বাহির শুধু অশান্তে মোর হৃদয় ভরা, হাসি-কান্নার খেলায় মেতে মনটা আমার পাগল পারা।

ভালোবাসা কারে কয়

আমি বলেছিলাম, ‘তোমাকে আমি ভালোবাসি’ তুমি বলেছিলে, ‘এটা ভালোলাগা, ভালোবাসা নয়’ ‘ভালোবাসা কঠিন অনেক, এত সহজে কি হয়?’ আমি বলেছিলাম, ‘তোমাকে আমি চাই-ই’ তুমি বলেছিলে, ‘এটা কামনা, ভালোবাসা নয়’ ‘থাকতে পারিনা তোমাকে না দেখে’ বললে, ‘পাগলামি আর কারে কয়!’ আমি বলেছিলাম, ‘তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।’ তুমি বলেছিলে, ‘এটা আবেগ, …

একটি কবিতা পেয়েছি

একটা কবিতা পেয়েছি কুড়িয়ে জানিনা যে কার, রেখেছি যতন করে, নিয়ে নিও হারিয়েছে যার। খানিক আছে দুঃখ তাতে খানিক আছে সুখ, কিছু আছে হাসি-খুশি কিছু ভাঙা বুক। খানিকটা তার কান্না ভেজা খানিক মরুভূমি, একটুখানি অচেনা তার একটুখানি চিনি। একটু আছে খুশির ঝিলিক একটু চোখের জল, সব মিলিয়ে সেটি যেন বিষবৃক্ষের …

তুমিই তুমি

নতুন প্রেমের প্রথম লেখা পদ্য তুমি আমার প্রথম হৃদয় ভাঙা কাব্য তুমি, শীতের ভোরের সোনা ঝড়া রৌদ্র তুমি আমার হৃদয় মরুভূমির বৃষ্টি তুমি, নিকষ কালো আঁধার রাতের জ্যোৎস্না তুমি শারদ প্রাতের সুবাস মাখা শিউলি তুমি, ঘুম জাগানো পাখিদের ওই কূজন তুমি জীবন হতে হারিয়ে যাওয়া বিজন তুমি, সাঁঝের বেলা পল্লী …

হারিয়ে গেছে কোন অচেনায়

একটি নির্জন সকালে যেন কান্না শুনি কার তাকিয়ে দেখি এখনো যে কাটেনি আঁধার, শুধাই আমি ভোরের পাখি কাঁদছ কেন তুমি? কিসের লাগি এত দুঃখ আমায় বল শুনি। বললে আমায় ভোরের পাখি কেমনে বাঁচাই প্রাণ কোলাহলে হারিয়ে গেছে আমার মিষ্টি গান। একটি নির্জন দূপুরে যেন কান্না শুনি কার হঠাত দেখি চারিদিকে …

শুধু তোমার জন্য

এখনো ভালোবাসি, শুধু তোমাকেই তুমি কি আমায় বাসো? লজ্জ্বায় ফেলি পূর্ণ শশীকে তুমি কি তেমনি হাসো? এখনো কবিতা লিখি, তোমার জন্য তুমি কি ফুল তোলো? আঁধার কাটিয়ে আমার জীবনে ফোটাতে নতুন আলো? এখনো আঁকি ছবি, তোমার জন্য তুমি কি গাঁথ মালা? গলে দিবে মোর পড়ায়ে নিজ হাতে গোধূলি কোন বেলা! …

পাগল মন

আজকে আমার খুশির দিনে সব পেয়েছি আমি, চেয়েছি যা জীবন ভ’রে নামি এবং দামী। অর্থ-সম্পদ টাকা-পয়সা যা প্রয়োজন তাই, বন্ধু-বান্ধব শুভাকাঙ্ক্ষীর অভাব কিছুই নাই। আছে শুধু একটি অভাব থাকবে জীবন ভরে, সব অচেনার মাঝে শুধু তুমিই বুঝতে মোরে। সকল আপনজনার মাঝে তুমিই ছিলে আপন, তোমার আদর-সোহাগ-স্মৃতি থাকবে সারা জীবন। সবাই …

মনে রবে চিরদিন

ছিলাম তখন সুবোধ আমি একা হঠাত একদিন তোমরা দিলে দেখা হেমন্তের শেষে, নবীন বসন্ত হয়ে, সু-মধূর সুবাস এনে বয়ে। ছড়ালো সোনার আলো যেন নব নব কুয়াশা ঝড়ানো কন প্রাতে, আর আমি ভাবি শুধু এত খুশি, এত ফুল এল কোথা হতে! মনে পড়ে রবিবার গুলো…মিঠে-কড়া রোদের সকাল, আর সোম-বুধ-শুক্রের পড়ন্ত বিকেল …

সেদিন

এখন থাকো মুখ ফিরিয়ে সেদিন রইতে পারবে তো? এখন যতই দিচ্ছ ব্যাথা সইতে সেদিন পারবে তো? দুঃখ দিয়ে হলে সুখী সেদিন সুখে রইবে তো? যতই সেদিন আমায় ডাক আমি কিন্তু শুনব না, আগ বাড়িয়ে কইবে কথা আমি কথা কইব না, বুঝবে যেদিন আমায় তুমি সেদিন আমি রইব না।

দারুন বুদ্ধি

সেদিন বিকেলে এক বন্ধু আমায় বলে চল… তারপর কথায় কথায় বলে দেখতে দেখতে বয়স যে যায় চলে বিয়েটা করে নেই কিনা বল। আবার নিজেই বলে যদিও বা করি বিয়ে ভালো মেয়ে কোথা পাই বল, আজকালকার মেয়ে মোবাইলে গেছে খেয়ে মোবাইল ছাড়া মেয়ে কেমনে খুঁজি বল? আমিও বোঝাই তাকে বুদ্ধি খাটাই …

কাছে নেই মনে আছ

যত দূরে যাও তুমি যেখানেই থাকো না, কাছে নেই মনে আছ হয়ে মোর ভাবনা। মেঘ হয়ে আছ এই হৃদয়ের আকাশে, স্মৃতিপটে আঁকা ছবি আজও নয় ফ্যাকাশে। সারাক্ষণ সাথে তুমি নেই তাতে সন্ধ, তুমি মোর প্রত্যেক কবিতার ছন্দ।

কর্মই সব

দিন-রাত প্রাণ-মন কত কিছুই চায়, কিছু তাহার পাওয়া গেলেও সব কি পাওয়া যায়? কতক আশা পূর্ণ হবে কতক রবে বাকী, কোনও আশাই হয়না পূরণ কর্মে দিলে ফাঁকি। ভাগ্য নয় কর্মই সব বিজ্ঞ জনে বলে, মানুষ হয় ভালো-খারাপ আপন কর্ম ফলে। অলসতা বড় শত্রূ বড় হওয়ার পথে, মিথ্যা কথা কখনও নয় …

ওরা বড় হয়

ওরা বড় হওয়ার জন্য পড়ে আমি জানার জন্য, ওরা বড় হয়, আমার জানা হয়না। ওরা পরিচিতি বাড়ায় আমি খুঁজি প্রকৃত বন্ধু, ওদের পরিচিতি বাড়ে, বন্ধু আমার হয়না। ওরা মৌখিকতায় বিশাসী আমি আন্তরিকতায়, ওদের বড় মুখ, আমার হয়না। ওরা অর্থ চায় আমি চাই জ্ঞ্যান, ওরা অর্থ পায়, নিরর্থক আমি তো পাইনা। …

নামকরা ছাত্র

ছাত্র আছে নামকরা সব আমার কাছে পড়ে উদয় নগর দক্ষিণ পাড়া বিভাস ভাইদের ঘরে, সবাই তারা ভালো ছাত্র, ব্যাচে যারা আছে তাদের কথাই বলব আমি আজকে তোমার কাছে, স্বভাব তাদের এতই শান্ত, থামতে বললেও দেয়না ক্ষান্ত কখন করে মারামারি কখন ঝগড়া করে; ভীষণ বাধ্য ছাত্র তারা আমার কাছে পড়ে। বলব …

জানিনা কেন

জানিনা কেন ভালো লাগে তোমার ওই মুচকি হাসি নিজেই আমি জানিনা কেন তোমায় ভালো বাসি। সকাল বেলা পূব আকাশে সূর্য্যি যখন আসে দেখি আমি ঊষার মাঝে মুখটি তোমার ভাসে তোমার নামেই গান গেয়ে যায় ভোরের দোয়েল পাখি তোমার ছোঁয়া পাবার আশায় ভোরের বাতাস গায়ে মাখি। দিনের শেষে রাত্রি নামে আকাশ …

গরীব বন্ধু

(সকল) ‘ভোট পাখি’রা গেছে উড়ে (তারা) আসবে বছর পাঁচেক পরে (কিন্তু) দুলাল দাদার আনাগোনা (আমি) আজও দেখি গরীব ঘরে। (তাতে) নেই কোনও কৃত্রিমতা (আর) ডাবের জল খেয়ে থাকা (আমার) দুঃখের সাথী, সমব্যথী (আসল) গরীব বন্ধু সেই তো ওরে। (কোনও) ভোট ভিক্ষুকের নেইকো টিকি (তারা) এবার ভোটে আসুক দেখি (এবার) শুনব …

মনে রেখো

কালকে ছিলাম ছাত্র আমিস্যর হয়েছি আজতোমাদেরকে পড়ানোটাইআমার প্রধান কাজ। শুধুই কি আর পড়াই আমিনিজেও কত পড়িচেষ্টা করি তোমাদেরকেভালোভাবে গড়ি। ভবিষ্যতের বড় মানুষতোমরাই তো হবেআজকে হতেই স্বপ্ন-পূরণপ্রস্তূতি নাও তবে। কেউবা তোমরা বড় হয়েহবে প্রফেসারহয়তো বা কেউ চাইছ হতেনাম করা ডাক্তার। কারও বা শখ ‘গায়ক হব’কেউবা ‘অভিনেতা’কারও মনে আবার একটু‘অন্য ছবি’ আঁকা। …

ভোটপাখি

ছোট নেতা ছোট নেতাএত ভোরে যাও কোথা?দাঁড়াওনা একবার ভাই।দ্বারে ভোট কড়া নাড়েযাই ভোট প্রচারেদাঁড়াবার সময় তো নাই। বড় নেতা বড় নেতাদলবল নিয়ে কোথাচলিয়াছ যাও নাকো বলি।সামনে ইলেকশনভোটে দাঁড়িয়েছি ভাইতাই ভোট ক্যাপচারে চলি। ভোট পাখি ভোট পাখিক’রে এত ডাকা ডাকিকোথা যাও যাও ভাই বলি।কথা নেই আর হেথাআসিয়াছে ভোট যেথাএক্ষণে সেইখানে চলি।

আজকে

আজকে আমার তোমার সাথেহারিয়ে যেতে নেই মানামেঘের সাথে নীল আকাশেমেলে দিলাম এই ডানা।সীমার বাঁধন ছিন্ন করেআজকে ছুটে চলবমেঘের সাথে আমিও আজলুকোচুরি খেলব,যাব আমি নিরুদ্দেশেযেথায় চাঁদের সভা বসেরামধনুর ওই রংগুলি সবআজকে লুটে আনব।

চলছে এবার মোদী সরকার

বৃষ্টির ছাঁট মাথায় পরে উত্তপ্ত রৌদ্রে ছারখার পাবোতো মাথা গোঁজার ঠাই চলছে তো এবার মোদী সরকার। শীত আসে কম্বল নাই হয়ত বা ঠান্ডায় মারা যাই গরীবি তোমরা পরে হঠিও এখন আমার একটা কম্বল দরকার। ডিলার বাবুর মিষ্টি কথায় ‘কিছুই আসেনি রে এই সপ্তায়…’ ফিরে আসি রোজ খালি ড্রাম হাতে তেল …

আমার প্রথম কবিতা

কত রঙে ছবি আঁকাজীবনের পাতায় পাতায়আঁকব সেসব তুলির টানেআমার কবিতায়।এ হৃদয়ের যত ব্যথাযত দুঃখ মনে গাথালিখব আজি সেসব কথাএই কবিতায়।এ আমার প্রথম কবিতাহায়!সেতো আজ কান্না হয়ে যায়।

হ্যাপি নিউ ইয়ার

একটি বছর পার হয়েআরেক বছর এলোকত কিছুই দিলো সে যেকত কিছুই নিলো।দেওয়া-নেওয়ার খেলায় বছরকখন হল পার,বন্ধু আমি জানাই তোমায়হ্যাপি নিউ ইয়ার।

অসংজ্ঞাত শহর

অসংজ্ঞাত শহর নিস্তব্ধ, নিশ্চূপ, মৃত-প্রায় এখন। শুধু মাঝে মধ্যে ওই দূরে কোথাও কোনও মূমূর্ষ রোগী নিয়ে ছোটে যান… শব যান। আমি বলি ওকে। গ্বহরে গভীর বেদনা, আর মস্তিস্কের ধূসর কোষে সোমত্ত জিদ নিয়ে পাল্লা তার নিয়তির সাথে। ক্রমশ ক্ষীণ… আরও ক্ষীণ হয়ে আসে তার গোঙানি। অবশেষে নিয়তির হবে জয়, সেতো …

আমি এমনই

তোমরা আমাকে বল…‘তুমি এমন কেন?’‘কত ভালো হত যদি এরকম হতে’‘এইভাবে তুমি চলছনা কেন?’‘তাহলে এত এত সব তুমিও পেতে।’ আমিও কখনও ভাবি…আমি এমন নই কেন?কেন চলিনা আমি এভাবে?সাধেকি আমি হয়ে আছি ছোটো!সে তো আমারই স্বভাবে। সেদিন একটি পত্র পেলাম আমি…তাতে লেখা – ওহে ভাই,তুমি তোমার মত, তুমি আছ তাই।অন্যের সাথে তোমার …